
বান্দরবান প্রতিনিধি:
“গণভোট-২০২৬ সংসদ নির্বাচন দেশের চাবি আপনার হাতে” এই প্রতিপাদ্য বিষয় কে ধারণ ও লালন করে জেলা তথ্য অফিস বান্দরবান পার্বত্য জেলা ও গণযোগাযোগ অধিদপ্তর, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রনালয়ের আয়োজনে আজ: ৩০ জানুয়ারি (শুক্রবার) বান্দরবান জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গণে এই উদ্যোগ ও আয়োজন শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়।
এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গণযোগাযোগ অধিদপ্তর (চলতি দায়িত্ব প্রাপ্ত) মহাপরিচাল: আবদুল জলিল, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গণযোগাযোগ অধিদপ্তর (কারিগরি প্রশিক্ষণ) পরিচালক: মীর মোহাম্মদ আসলাম উদ্দিন, জেলা তথ্য অফিসার: মোঃ আনোয়ার ইসলাম সহ জেলার বিভিন্ন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সাংবাদিকবৃন্দ রা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
পাহাড়ের আঁকাবাঁকা পথে গানের সুরে ভেসে আসছে গণতন্ত্রের আহ্বান। কোনো রাজনৈতিক স্লোগান নয়, বরং সংগীতের মূর্ছনায় সাধারণ মানুষকে ভোটদানে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আসন্ন ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে বান্দরবান জেলা শহরের ট্রাফিক মোড় থেকে শুরু করে বালাঘাটা, কালাঘাটা ও স্থানীয় হাট-বাজারগুলোতে ঘুরবে এই ভ্রাম্যমাণ সংগীতের ট্রাক।
সাধারণ ভোটার ও পথচারী-রা জানিয়েছেন:
“আগে তো শুধু মাইকিং শুনতাম, এবার গান-বাজনা দেখে ভালো লাগছে। গানের কথায় ভোটের গুরুত্ব বুঝতে পারছি। পাহাড়ে এ ধরনের আয়োজন উৎসবের আমেজ তৈরি করেছে।”
আয়োজকরা জানান, “বান্দরবানে বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষের বসবাস। তাদের নিজস্ব ঢঙে এবং সহজ ভাষায় ভোটের প্রয়োজনীয়তা বুঝিয়ে বলতেই এই সংগীতানুষ্ঠানের আয়োজন। বিশেষ করে তরুণ ও নতুন ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এই প্রচার পদ্ধতি। এইবারের নতুন ও তরুণ ভোটার-রা ও এই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত হওয়ার অপেক্ষায় আছেন।”
আয়োজক সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন:
“আমরা চাই প্রত্যেক ভোটার যেন কেন্দ্রে এসে নির্ভয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। সংগীতের আবেদন সর্বজনীন, তাই ট্রাকযোগে এই ভ্রাম্যমাণ আয়োজনের মাধ্যমে আমরা মানুষের হৃদয়ে পৌঁছানোর চেষ্টা করছি।”
কেবল শহর নয়, পর্যায়ক্রমে জেলার প্রতিটি উপজেলায় এই ভ্রাম্যমাণ সংগীতের ট্রাক জনসচেতনতার বার্তা নিয়ে যাবে। নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রত্যাশা, এই অভিনব প্রচারণার ফলে এবারের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতিতে রেকর্ড গড়বে বান্দরবান।
সুরের মাধ্যমে জনসচেতনতার এই উদ্যোগ পাহাড়ে গণতন্ত্রের চর্চাকে আরও বেগবান করবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।
মন্তব্য করুন