
৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর থেকে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ সব জায়গায় এক ধরনের স্থবিরতা চলছে। দলীয় বিবেচনায় নির্বাচিতরা অধিকাংশই সরকার পতনের পর থেকেই পলাতক, অনেকে গ্রেফতার হয়েছেন। পরে জনপ্রতিনিধিদের অপসারণ করে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোতে (সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভা) সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশাসক নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তী সরকার।
কাজের সুবিধার্থে এসব জায়গায় পূর্ণকালীন প্রশাসক বসানো হয়েছে। জনপ্রতিনিধিদের অনুপস্থিতিতে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাদের। এতে জন্ম-মৃত্যু সনদ, নাগরিক ও ওয়ারিশ সনদ পেতে বেগ পেতে হচ্ছে জনগণকে। অনেক সময় সরকারি কাজের জন্য কর্মকর্তাদের পাওয়া যায় না,এমনকি তারা স্থানীয়দের চেনেনও না। নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার বলেন, বর্তমানে মানুষ অনেক সেবা থেকে বঞ্চিত। জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আমি কোনো বাধা দেখছি না। রাজনৈতিক দলগুলো চাইলেই কোনো বাধা নেই। তবে সে ক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে ইসিকে অনুরোধ করতে হবে আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন করার জন্য।
আবার অতিরিক্ত দায়িত্বের চাপে সব কাজ ঠিকমতো তদারকিও করতে পারছেন না কর্মকর্তারা। এতে ভোগান্তির শিকার সাধারণ মানুষ। তারা স্থানীয় সরকারের নির্বাচন আগে চাচ্ছেন। কারণ চলার পথে প্রতিনিয়ত প্রয়োজনীয় সনদগুলো পেতে তাদের হয়রা নর শিকার হতে হচ্ছে। এর সমাধান আগে দরকার।
ভোটে নির্বাচিত সব জনপ্রতিনিধি- উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, পৌর-মেয়র, কাউন্সিলর, ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান ও মেম্বাররা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ। ইউনিয়ন পরিষদ কার্যকর না থাকলে সামাজিক অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলা বাড়ে। জাতীয় নির্বাচন সফল করতে হলে সবার আগে প্রয়োজন দেশের আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রনে আনা। নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বার, পৌর মেয়র, ও কাউন্সিলর না থাকলে শুধু পুলিশ দিয়ে দেশের আইন শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখা দুরহ ব্যাপার।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি না হলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। সুতরাং নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে দেশের আইনশৃখলা পরিস্থিতি উন্নয়নের দিকে নজর দিতে হবে। জনজীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে হবে। জাতীয় নিবাচনের আগে ৭ দফা বাস্তবায়ন চাই তানাহলে সুষ্ঠ নির্বাচন সুদুর-পরাহত।
০১ বাংলাদেশের ছাত্রজনগণ, সর্বশ্রেণির মানুষ সবার আগে জুলাই ভিত্তি আইনি সনদ প্রথম চায়; তারপর জাতীয় নির্বাচন চাই। তাই জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট হওয়া জরুরী নাহয় দেশ আবারো পূরনো বন্দোবস্থে ফিরে যাবে।
০২ পুলিশের লুঠ হওয়া অস্ত্র মাঠে রোখে সুষ্ঠ র্বিাচন অমূলক। নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার আগে থেকেই যৌথ বাহিনীর মাধ্যমে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করতে হবে, যা ভোটগ্রহণ পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। এতে কোনো দল বা গোষ্ঠী নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট করা, সন্ত্রাসী কার্যক্রম বা কেন্দ্র দখলের মতো অপকর্মের সুযোগ পাবে না।
০৩ সংস্কার কমিশনের করা জরিপে দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন চায় বলে তথ্য পাওয়া গেছে।
০৪. প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে অনলাইন সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন : স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রে অনলাইনভিত্তিক সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন অপরিহার্য। নির্বাচনের পর ক্যামেরাগুলো স্কুলে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বা ভবিষ্যতের নির্বাচনে ব্যবহার করা যাবে।
০৫. আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বডি–ওয়ার্ন ক্যামেরা : প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা কমপক্ষে দুইজন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সদস্যকে বাধ্যতামূলকভাবে বডি ক্যামেরা ব্যবহার করতে হবে। এর মাধ্যমে তাদের কার্যক্রম তদারকি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে।
০৬ মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের লটারির মাধ্যমে বদলি বা পদায়ন : নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে ডিসি, এসপি, ইউএনও, ওসি ও নির্বাচন কর্মকর্তাদের লটারির মাধ্যমে বদলি বা পদায়ন করতে হবে এবং নির্বাচন শেষে ১৫ দিনের মধ্যে পুনরায় তাদের বদলি নিশ্চিত করতে হবে। দায়িত্ব পালনে যারা পেশাদারিত্ব ও সততার পরিচয় দেবেন তাদের পুরস্কৃত করে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পদায়ন করতে হবে এবং ব্যর্থদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।
০৭ নির্বাচন পরিচালনায় নিয়োজিত সরকারি কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ সততা, নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে হবে। তারা যেন কোনো গোষ্ঠী বা রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
একজন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের দায়িত্ব ও কর্তব্য কি জানা যাক- ইউনিয়ন পরিষদের সব কাজের কেন্দ্রবিন্দু হলেন চেয়ারম্যান। তিনি পরিষদের প্রধান নির্বাহী,পরিষদের যেকোন সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য চেয়ারম্যানের অনুমোদন দরকার হয়। এক কথায় পৌর, উন্নয়ন, রাজস্ব, প্রশাসনসহ ইউনিয়নের সব ধরনের কাজ তদারক করার দায়িত্ব চেয়ারম্যানের।
তার মধ্যে প্রশাসনিক কার্যক্রম, গণসংযোগ কার্যক্রম, রাজস্ব ও বাজেট সংক্রান্ত কার্যক্রম, উন্নয়নমূলক কার্যক্রম,অন্যান্য দায়িত্ব ও কর্তব্য, প্রশাসনিক কার্যক্রম।
ইউনিয়ন পরিষদের কাজ পরিচালনার জন্যসচিব গ্রাম পুলিশ ও অন্যান্য কর্মচারীদের নিয়ে একটি অফিস আছে। চেয়ারম্যান অফিসের কর্মীদের পরিচালনা করা, ছুটি ও বেতন দেয়া এবং তারা যথাযথভাবে কাজ করছে কিনা তা তদারক করেন। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সভা আহবান এবং সভার আলোচনার বিষয় ঠিক করেন। তিনি সভার সভাপতিত্ব করে থাকেন। সাধারণত ইউনিয়ন পরিষদ অফিসে সভা করা হয়। কিন্তু কোন কারনে তা সম্ভব না হলে চেয়ারম্যান সভার নির্ধারণ করেন। বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে সদস্যদের মতামত নেয়ার পর চেয়ারম্যান সমাধানের উপায় নির্দেশ করেন।
গণসংযোগ কার্যক্রম:
গ্রাম পুলিশ নিয়োগের জন্য প্রার্থী তালিকা তৈরি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠানোর দায়িত্ব ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কতৃর্ক মনোনীত প্রার্থীদের নিয়োগের ব্যবস্থা করেন চেয়ারম্যান। ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন স্ট্যান্ডিং কমিটি ও সাব কমিটির কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করেন চেয়ারম্যান। ইউনিয়ন পরিষদের এবং সরকারী কর্মচারীদের দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা করেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। গ্রাম পুলিশের সহায়তায় এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা করেন। বিভিন্ন সময়ে ঘোষিত সরকারি আইন ও সার্কুলার অনুযায়ী অর্পিত অন্যান্য প্রশাসনিক দায়িত্বও পালন করেন চেয়ারম্যান। সভার কার্য বিবরণী সব সদস্যের কাছে পৌছানোর বিষয়টি তদারক করেন চেয়ারম্যান। ইউনিয়ন পরিষদ অফিস এবং সহজে দেখা যায় এমন অন্য কোন জায়গায় চেয়ারম্যান ‘এক নজরে ইউনিয়ন পরিষদ’ নামে বোর্ড টানানোর ব্যবস্থা করেন। এ থেকে জনগণ ইউনিয়ন পরিষদের গত কয়েক বছরের উন্নয়ন ও সেবামূলক কাজ এবং বর্তমান সময়ের পরিকল্পনার ব্যাপারে সহজে জানতে পারে।
চেয়ারম্যান রেডিও, টেলিভিশন ও সংবাদপত্র শ্রবণ, দর্শন এবং পড়ার ব্যবস্থা করেন। এর মাধ্যমে জনগণ সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি সম্পর্কে সহজে জানতে পারে। এলাকার অপরাধ দমন, শান্তি শৃঙ্খলারক্ষা এবং দাঙ্গা-হাঙ্গামা প্রতিরোধ করার জন্য চেয়ারম্যান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার থেকে সহযোগিতা করেন। পরিবার পরিকল্পনা কর্মীদের সহায়তা করেন এবং এ বিষয়ে জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করেন। সরকারের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করেন।
রাজস্ব ও বাজেট সংক্রান্ত কার্যক্রম:
ইউনিয়ন পরিষদের আয়ের নিজস্ব উৎসের মধ্যে আছে কর, রেট এবং ফি। এর বাইরে পরিষদ প্রতি বছর সরকার থেকে অনুদান পায়। চেয়ারম্যান পরিষদের সদস্য এবং এলাকার গণ্যমাণ্য ব্যক্তিদের সাথেপরামর্শ করে কর, রেট ও ফি ইত্যাদি ধার্য করেন। রাজস্ব আদায়ের জন্য চেয়ারম্যান আদায়কারী নিয়োগ ও তার কাজের দেখাশুনা করেন। ইউনিয়ন পরিষদের বিশেষ সভায়চেয়ারম্যান বাজেট পেশ করেন। সদস্যদের মতামত নেওয়ার পর প্রয়োজনীয় সংশোধনীসাপেক্ষে বাজেট অনুমোদনের জন্য জেলা প্রশাসকের নিকট পাঠিয়ে দেন।
উন্নয়নমূলক কার্যক্রম :
রাস্তা, খাল, সাঁকো তৈরি ও মেরামতের জন্য চেয়ারম্যান স্থানীয় পরিকল্পনা গ্রহণ ও তা বাস্তবায়ন করেন। পল্লীপূর্ত কর্মসূচি এবং কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচিসহ অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে খাল খনন,পুনঃখনন এবংভৌত অবকাঠামো তৈরিতে চেযারম্যান সহযোগিতা করেন। রাস্তার পাশে বাতি জ্বালানো, গাছলাগানো,এলাকা পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা, পুকুর ও খালবিলের কচুরিপানাপরিস্কার এবং সরকারী জমি ও সম্পত্তি রক্ষা করার ব্যবস্থা করেন চেয়ারম্যান।তিনি যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নয়নেও ভূমিকা রাখেন।
বিচার বিষয়ক কার্যাবলী :
চেয়ারম্যান গ্রাম আদালতের চেয়ারম্যান হিসেবে বিভিন্ন মামলা মোকদ্দমা নিস্পত্তি করেন। চেয়ারম্যান ছোটখাট ঝগড়া-বিবাদ, দাংগা-হাংগামা ও জমিজমা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় ব্যক্তিগত উদ্যোগে সালিশের মাধ্যমে নিস্পত্তি করেন।
অন্যান্য দায়িত্ব ও কর্তব্য :
চেয়রম্যান জন্ম-মৃত্যু এবং মৃত ব্যক্তির পোষ্য সংক্রান্ত উত্তরাধিকার, জাতীয়তা ও চারিত্রিক সনদ পত্র প্রদান করেন। ইউনিয়নে কর্মরত বিভিন্ন সংস্থার কাজ সম্পর্কে পরিষদে আলোচনা এবং প্রয়োজনবোধে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে প্রতিবেদন প্রেরণ করেন। রিলিফ সামগ্রী বিতরণ, চিকিৎসার জন্য রোগীদের স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যাওয়ার পরামর্শ প্রদান, বন্যা ও মহামারীনিয়ন্ত্রণ, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধের ব্যবস্থা করেন।
খাস জমি বন্টন ও ভূমিহীন কৃষক চিহ্নিত করেন :
উল্লেখ্য, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আগে জাতীয় নির্বাচন চায় বিএনপি। এ দাবির তিনটি কারণের কথা জানিয়েছেন বিএনপি নেতারা। এর মধ্যে প্রধান কারণ হচ্ছে, দলীয় প্রতীক বিহীন স্থানীয় নির্বাচন আগে হলে পতিত ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার জন্য একে বড় প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজে লাগাতে পারে। এতে দেশজুড়ে সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। যা সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। তাতে জাতীয় নির্বাচন বিলম্বিত হতে পারে।
ক্ষমতাসীন সরকারের অধীনে মার্কা দিয়ে বা বাছাই প্রক্রিয়ায় মনোনয়ন দিয়ে ক্ষমতাসীন দলের ‘মাই ম্যানকে’ বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে জনপ্রতিনিধি করা হয়। কিন্তু এ অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সেই স্থানীয় নির্বাচন হলে ‘মাই ম্যান’ নয়, বরং জনগণের রায়ে জনগণের ম্যান জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার অধিক সম্ভাবনা থাকে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম লিখেছেন, ‘বিএনপি এ মুহূর্তে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল। তাদের কর্মী থেকে শুরু করে সমর্থনও সবচেয়ে বেশি। তাদের প্রতিনিধিদের নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনাও বেশি। তবে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টা হবে, সেটি তাদের একাধিক প্রতিনিধির মধ্যে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ও জনপ্রিয় মানুষটি নির্বাচিত হবে। চাঁদাবাজ, ক্ষমতার অপব্যবহারকারী, সিন্ডিকেটের অংশীদার, তেলবাজরা জনপ্রতিনিধির চেয়ারে বসার সুযোগ পাবে না। আশা করি, এ বিষয়ে তাঁদের দ্বিমত থাকবে না।’ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের দাবি করেছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। জরুরি সংস্কার শেষে সংখ্যানুপাতিক হারে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনেরও দাবি দলটির। জনগণ চায় স্থানীয় সরকার সচল হোক, আমরাও চাই জাতীয় নির্বাচনের আগে হোক স্থানীয় নির্বাচন।
লেখক: মহাসচিব, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সংগ্রাম জাতীয় কমিটি, চেয়ারম্যান, পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদ, উখিয়া, কক্সবাজার।
মন্তব্য করুন