
বান্দরবানের লামায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ৩৬ জুলাই ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের আওয়ামী স্বৈরাচার পতনের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে গণমিছিল ও সমাবেশের হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।
মিছিলটি লামা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। লামা বাজারের চৌরাস্তার মোড়ে এসে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হন। সমাবেশে বক্তারা ২০২৪ সালের সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানের তাৎপর্য ও বর্তমান প্রেক্ষাপটে এর প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরেন।
গণমিছিলে উপস্থিত ছিলেন
অধ্যাপক ফারুক আহমেদ সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বান্দরবান জেলা শাখা। তার বক্তৃতায় তিনি জোর দিয়ে বলেন গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী ঘটনা। এটি প্রমাণ করেছে যে জনগণের ঐক্যবদ্ধ শক্তির কাছে কোনো স্বৈরাচারই টিকতে পারে না।
কাজী মোঃ ইব্রাহিম আমীর আমীর, জামায়াতে ইসলামী লামা উপজেলা শাখা তার বক্তব্যে বলেন আমরা শহীদদের রক্তকে বৃথা যেতে দেব না। একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমাদের সংগ্রাম চলমান থাকবে।
মোঃ আব্দুর রহিম সভাপতি, শ্রমিক কল্যাণ পরিষদ লামা পৌর শাখা অর্থনৈতিক ন্যায়বিচারের দাবি তুলে বলেন যারা জীবন দিয়েছেন, তাদের পরিবারগুলোর জন্য চাকরি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার নিশ্চয়তা প্রদান করতে হবে।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন:
সরোয়ার আলম সহ-সভাপতি, জামায়াতে ইসলামী বোমু বিলছড়ি ইউনিয়ন শাখা
জামায়াতে ইসলামীর লামা উপজেলা ও পৌর শাখার নেতাকর্মীবৃন্দ
ইসলামী ছাত্রশিবির ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের নেতাকর্মীরা
সমাবেশ শেষে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের রূহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।
মন্তব্য করুন