
রাত ঠিক ১১টা ৩০ মিনিট। হঠাৎ সীতাকুণ্ড থেকে ব্যবসায়ী ইয়াকুব আলীর ফোন। আতঙ্কিত কণ্ঠে তিনি বললেন, “ভাইয়া, আমার বাড়িঘরের সবকিছু ভেঙে ফেলছে একটি চোর চক্র। তারা আমাকে মেরে ফেলবে। আপনি আমাকে বাঁচান।
এক মুহূর্তও দেরি করিনি। সঙ্গে সঙ্গে সীতাকুণ্ড থানার বর্তমান ওসি সাহেবকে ফোন করি। তিনি আশ্বস্ত করেন যে, ইতোমধ্যে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তাঁর কথায় কিছুটা স্বস্তি পেয়ে ভুক্তভোগীকে সাহস দেওয়ার চেষ্টা করলাম।
কিন্তু কয়েক মিনিট পর যে খবর পেলাম, তা ছিল আরও বিস্ময়কর, যার বাড়িতে হামলা হয়েছে, সেই ইয়াকুব আলীকেই নাকি গ্রেপ্তার করা হয়েছে! আর এদিকে হাসছে সেই চোর চক্র।
উল্লেখ্য, আজ যারা ইয়াকুব আলীর বাড়িতে মব সৃষ্টি করেছে, অভিযোগ রয়েছে তারাই এর আগে তিন দফায় তাঁর বাড়িতে ডাকাতি চালিয়েছে। সেই ঘটনাগুলোর সিসিটিভি ফুটেজও আমাদের কাছে রয়েছে। আমার আশঙ্কা, দেশ যখন রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, ঠিক সেই সময়টিকেই তারা পূর্বপরিকল্পিতভাবে কাজে লাগিয়েছে। রাজনৈতিক আবহ ও জনতার ঢলকে ব্যবহার করে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করেছে।
এখন শুধু অপেক্ষা দেখার, ইয়াকুব আলীর ভাগ্যে শেষ পর্যন্ত কী লেখা আছে। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে, নাকি সত্য আবারও চাপা পড়ে যাবে?
মন্তব্য করুন