
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রুহিয়া ইউনিয়নের ফরিদপুর গ্রামে এবার অসময়ে মাচায় ঝুলছে হলুদ-কালো জাতের আকর্ষণীয় তরমুজ। নিরাপদ সবজি উৎপাদন প্রদর্শনীর আওতায় কুজিশহর টেকসই কৃষি উন্নয়ন গ্রুপের সদস্য মো. সাইফুল ইসলাম তাঁর ৩৩ শতক জমিতে চাষ করেছেন ‘স্মার্ট বয়’ জাতের এই বিশেষ তরমুজ। ইতোমধ্যে ক্ষেতজুড়ে ঝুলতে থাকা তরমুজ দেখতে এলাকাবাসীর ভিড় জমেছে। কৃষক সাইফুল ইসলাম জানান, রুহিয়া ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা তপন রায় ও জুয়েল হকের পরামর্শে তিনি প্রথমে ৩৩ শতক জমিতে প্রায় ১২ শত তরমুজের চারা রোপণ করেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ৪ শত গাছ নষ্ট হলেও অবশিষ্ট ৮ শত গাছে এখন ঝুলছে সুন্দর আকারের তরমুজ। তিনি বলেন, শুরুর দিকে কিছুটা শঙ্কা ছিল। কিন্তু কৃষি কর্মকর্তাদের নিয়মিত পরামর্শ ও সহায়তায় সাহস পেয়েছি। প্রথম ধাপেই খরচ উঠে এসেছে। আশা করছি, এবার প্রায় ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা লাভ হবে। তরমুজ চাষে মোট খরচ হয়েছে প্রায় ৫০ হাজার টাকা, যা ইতোমধ্যে বিক্রির মাধ্যমে উঠে এসেছে। এখন যা বাকি আছে, তা সম্পূর্ণ লাভের অংশ হবে বলে তিনি জানান। আগামীতে আরও বড় পরিসরে এ জাতের তরমুজ চাষের পরিকল্পনা করতেছি। রুহিয়া ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা তপন রায় ও জুয়েল হক বলেন, সাইফুলের তরমুজ ক্ষেত প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক কৃষির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। মালচিং পদ্ধতিতে উৎপাদন খরচ কমে, ফলন ভালো হয় এবং আগাছা নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়। তাঁর এই সাফল্যে এলাকার অনেক কৃষক আগ্রহী হচ্ছেন।
মন্তব্য করুন