
বান্দরবান সদর থানাধীন সুয়ালক এলাকায় দস্যুতার ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন, লুন্ঠিত টাকা উদ্ধার ও আসামী গ্রেফতার ঘটনাস্থল:বান্দরবান সদর থানাধীন ০৪নং সুয়ালক ইউপির ০১নং ওয়ার্ডস্থ মোস্তফা চৌধুরীর খামার বাড়ী সংলগ্ন পাকা রাস্তার উপর।
আসামীরা হলেন মোঃ ইমন(১৭), পিতা- সলিমুল্লাহ, মাতা- সেলিনারা আক্তার, সাং- রংপুর, ওয়ার্ড নং-০৪, ডুলাহাজারা ইউপি, থানা- চকরিয়া, জেলা- কক্সাবাজার।
মোঃ আসিফ(২০), পিতা- আনসারুল করিম, মাতা- রোকসানা আক্তার, সাং- নতুন বাজার, ওয়ার্ড নং-০৬, থানা- মহেশখালী, জেলা- কক্সাবাজার।
লুন্ঠিত ৭৫,০০০/- টাকা ও ০৩টি মোবাইল
বাদী মোঃ তারেক আহমদ প্রঃ পারভেজ(৩৫), পিতা-মৃত ছিদ্দিক আহমদ, মাতা- ছেনোয়ারা বেগম, সাং- সুলতানপুর, ০১নং ওয়ার্ড, ০৪নং সুয়ালক ইউপি, থানা- বান্দরবান সদর, জেলা- বান্দরবান পার্বত্য জেলা, পেশায় একজন ব্যবসায়ী এবং সুয়ালক বাজারে তার তারেক টেলিকম নামীয় মোবাইল ব্যাংকিং এর দোকান রয়েছে। দীর্ঘদিন যাবত তিনি উক্ত দোকানে ব্যবসা পরিচালনা করে আসতেছে।
প্রতিদিনের ন্যায় ১৬/১০/২০২৫খ্রিঃ তারিখ রাত অনুমান ১২.৩০ ঘটিকার সময় তিনি ব্যবসায়িক কার্যক্রম শেষে তার তার ব্যবসার মোট ৩,৪৫,০০০/- টাকা নিয়ে নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে মোটর সাইকেলযোগে রওনা করেন। তিনি একই তারিখ রাত অনুমান ১২.৪৫ ঘটিকার সময় ঘটনাস্থলে পৌছামাত্রই পূর্ব থেকে উৎপেতে থাকা গ্রেফতারকৃত ও পলাতক আসামীগন বাদীর পথরোধ করে বাদীর মোটর সাইকেলটি ধাক্কা মেরে ফেলে দেয় এবং বাদীও মাটিতে পড়ে যায়। আসামীরা বাদীর গলায় ধারালো চাকু ধরে বাদীর সাথে থাকা কালো রংয়ের চামড়ার ব্যাগের ভিতরে থাকা ব্যবসার ৩,৪৫,০০০/- টাকা এবং ব্যবসার কাজের ০৩টি মোবাইল ফোন জোরপূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় বাদী চিৎকার দিলে স্থানীয় লোকজন এসে আসামি মোঃ ইমনকে হাতেনাতে আটক করেন। জাতীয় জরুরী সেবা-৯৯৯ এর কলের মাধ্যমে জানতে পেরে বান্দরবান সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে গ্রেফতারকৃত মোঃ ইমনকে হেফাজতে নেয়। এই সংক্রান্তে বান্দরবান সদর থানার মামলা নং-০৭, তাং-১৬/১০/২০২৫খ্রিঃ, ধারা-৩৯৪ পেনাল কোড রুজু করা হয়।
বর্ণিত ঘটনার প্রেক্ষিতে বান্দরবান পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার জনাব মো: শহিদুল্লাহ কাওছার পিপিএম (বার), এর সার্বিক দিক-নির্দেশনায় একাধিক আভিযানিক টিম ঘটনার সহিত জড়িত অপরাপর আসামীদের সনাক্ত, গ্রেফতার, লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধার ও মামলার রহস্য উদঘাটনের জন্য কার্যক্রম শুরু করেন। আভিযানিক টিম বান্দরবান জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ঘটনার ০৫ ঘণ্টার মধ্যেই অপর আসামি আসিফকে গ্রেফতারপূর্বক লুন্ঠিত হওয়া ৩,৪৫,০০০/- টাকার মধ্যে ৭৫,০০০/- টাকা ও লুন্ঠিত ০৩টি মোবাইল ফোন এবং দসূত্যার কাজে ব্যবহৃত একটি ধারালো চাকু উদ্ধার করেন। আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় তারা মোট ০৩ জন দস্যুতার ঘটনার সাথে জড়িত। পলাতক অপর আসামিকে গ্রেফতার ও অবশিষ্ট টাকা উদ্ধারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত আছে।
মন্তব্য করুন