
বান্দরবান মেঘলা এলাকায় দেবর শশুরের সামনে কু প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ। মেঘলা ভান্ডারী পাড়া এলাকার মো বেলাল পিতা আলী হোসেন ও বেলালের পিতা আলী হোসেন পিতা ঠান্ডা মিয়া। ৩ ঘটিকার সময় ঘটনাটি ঘটে। বড় ছেলে মো ছোলেমান এর স্ত্রী মোনোমারা বেগম শশুর বাড়ির লোকজন এর কাজ থেকে ১০০০ টাকা হাওলাত চাইতে গেলে শশুরের সামনে মো বেলাল কু প্রস্তাব দেন মোনোমারা বেগম কে। তখন বেলাল বলেন আমার সাথে খারাপ কাজ করলে আমি টাকা দিব। মোনোয়ার বেগম কু প্রস্তাব এর কথা শুনে এক পর্যায়ে কথা কাটাকাটি হয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে মোনোমার বেগম এর স্বামী মো ছোলেমান ঘটনাস্থলে এসে প্রতিবাদ করলে আলীহোসেন ও মো বেলাল এরা দুই জনই লাঠি দিয়ে মারতে থাকে মোনোমার বেগম ও ছোলেমান কে মারার এক পর্যায় ছোলেমান অজ্ঞান হয়ে পড়ে যায় ঘটনাস্থলে। অজ্ঞান হয়ে পড়ে যাওয়ার পরে বেলাল তার বাবা আলী হোসেন দারালো দা নিয়ে আসেন মোনোয়ারা বেগম ও ছোলেমানকে কেটে ফেলার জন্য তখন এলাকাবাসীর লোকজন এসে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করেন।
ছোলেমান বলেন নিজ পিতা ও ভাই বলে মুখ লজ্জায় কাউকে কিছু বলিনি আমাকে ও আমার স্ত্রীকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অন্যায় প্রস্তাব দিয়ে থাকতেন। এ ধরনের ঘটনা যেন আর কারো সাথে না হয় প্রশাসনের কাছে আমি সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি। আমাকে এরা এলাকায় থাকতে দেবেনা আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছে আমার পাশে একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কেউ নেই। আমি বিচার চাওয়াতেই এলাকায় হয়তো আমার আর থাকা হবে না।
এলাকাবাসীর আরো জানাই ছোলেমান ও মোনোমারা বেগমকে উদ্ধার করে এনে বান্দরবান সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বান্দরবান সদর থানায় উপযুক্ত ব্যক্তিদের নামে মামলা করেন বলে জানান।
বান্দরবান জেলা মানবাধিকার নেত্রী নীলিমা আক্তার নীলা বলেন মোনোমারা বেগম ও ছোলেমান এর সাথে যদি এই ধরনের ঘটনা যদি করার থাকে। তাহলে বান্দরবানে এই ধরনের ঘটনা মনে হয় সর্বপ্রথম কারণ এ ঘটনাকে যদি আমরা আশ্রয় প্রশ্রয় দি তাহলে প্রতিদিনই কেউ না কেউ এই ধরনের ঘটনা করার সুযোগ পাবেন। এ বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি এবং আমি ও এই ঘটনাটি তদন্ত করে দেখব।
এলাকাবাসীর বক্তব্য জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আলী হোসেন একজন আওয়ামী লীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন এবং তার শ্বশুর বাড়ির লোকজন আওয়ামী লীগের প্রভাব শালী নেতা রেইচাএলাকায়। তাদের প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় বিভিন্ন সময় বিভিন্ন লোকজনের সাথে মারামারি ও বিভিন্ন অপরাধ করতেন। আজকের ঘটনাটি জন্য আমরা খুবই মর্মাহত কারণ মোনোয়ারা বেগম কে কুপ্রস্তাব দেওায়ার ঘটনাটির সাথে সম্পূর্ণ দায়ী তার শশুর আলী হোসেন। আমরা এলাকাবাসী না থাকলে আজকে তারা দুজনকেই মেরে ফেলত আলী হোসেন ও মো বেলাল। আমরা তাদের অত্যাচারে মেঘলা ভান্ডারীপাড়া এলাকা খুবই অতিষ্ঠ আমরা প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি দোষীদের গ্রেফতার করে সুষ্ঠু বিচার যেন করা হয়। কারণ না হয় এই ধরনের ঘটনা যেন এই এলাকায় পূর্ণ আবৃত্তি না হয়।
মন্তব্য করুন