
বান্দরবান প্রতিনিধি:
পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কে-এস মং-এর উদ্যোগে বান্দরবানের প্রান্তিক জনপদে দুঃস্থ-অসহায় মানুষের সেবায় চট্টগ্রাম লায়ন্স দাতব্য চক্ষু হাসপাতালের সহযোগীতায়, জেলার রোয়াংছড়ি এবং রুমা উপজেলায় আজ বিনামূল্যে এই চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।
৭ম দফায় চক্ষু অপারেশনের জন্য বাছাইকৃত ৫০ জন রোগীকে পরবতী ও উন্নত চক্ষু চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়।
তারই ধারাবাহিকতায় ০৫ জানুয়ারি২০২৬ (সোমবার) রুমা উপজেলার বাছাইকৃত রোগীদের লাইন্স চক্ষু হাসপাতাল ও শেভরন হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে।রোগীদের সার্বিক দেখাশোনার জন্য,১ নং পাইন্দু ইউনিয়ন চেয়ারম্যান উহ্লামং মারমা এবং রুমা সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান অংসিংনু মারমা রোগীদের সার্বক্ষণিক সহযোগিতা করছেন।
পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কে এস মং বলেন, দূর্গম অঞ্চলে একজন মানুষ অর্থনৈতিক কারণে চিকিৎসা সেবা নিতে পারেনা।নিজের চোখ দিয়ে যদি পৃথিবী দেখতে না পারে তাহলে বেঁচে থাকাই মূল্যহীন। তাই আমার উদ্যোগে চট্টগ্রামের চক্ষু চিকিৎসকরা বিনামূল্যে চিকিৎসা দিচ্ছেন। রোয়াংছড়ি ও রুমায় এই পর্যন্ত মোট ২০০০ জনের মতো রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে,আমি সংসদ সদস্য নির্বাচন করার কথা ছিলো।দলীয় ভাবে নির্বাচন না করার সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে আমি নির্বাচন করছি না। কিন্ত পার্বত্য জনপদেের মানুষের সেবামূলক সকল সমাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
প্রসঙ্গত: দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় মানসম্পন্ন চক্ষু চিকিৎসার অভাবে অনেকে চোখের সমস্যায় ভুগছেন। এই সকল রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দিচ্ছেন।তাদের লক্ষ্য—ধাপে ধাপে প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছেন। রোয়াংছড়ি ও রুমা উপজেলার পর থানচি, নাইক্ষ্যংছড়ি এবং বান্দরবান সদর উপজেলাতে এই ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। দুর্গম এলাকায় এমন ক্যাম্পের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবার ফলে স্থানীয়রা মানসম্মত ও উন্নত চক্ষু চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন—এই উদ্যোগ কে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
মন্তব্য করুন