
বাঙালি জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস রচনার সূচনার দিন ২৬ মার্চ।
আজ বৃহস্পতিবার বছর ঘুরে আবার ফিরে এসেছে মহান স্বাধীনতা দিবস, রক্ত, বেদনা আর অদম্য সাহসের বিনিময়ে অর্জিত এক ইতিহাসের ২৬ মার্চ। এ দিনটি বাঙালির আত্মপরিচয়ের ভিত্তি হয়ে আছে। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতার মুখে দাঁড়িয়ে প্রতিরোধের শুরুটা হয় এই দিনে। এরপর দীর্ঘ ৯ মাসের প্রাণপণ যুদ্ধের পর বাঙালি জাতি পায় লাল-সবুজ পতাকার স্বাধীন বাংলাদেশের।
২৬ মার্চ জাতীয় দিবস, যা ইতিহাসের পরিক্রমায় এবার ৫৬ তম। জাতির মুক্তির সংগ্রামে বীর শহীদদের আত্মদানের কথা জাতি আজ শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে। শ্রদ্ধার ফুলে আজ ভরে উঠবে বাংলাদেশের ২য় স্মৃতির মিনার বন্দরের স্মৃতিসৌধ।
যথাযোগ্য মর্যাদা ও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উদযাপিত হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার ভোর ৫টা ৫৮ মিনিটে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়।
এরপর বন্দর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিবানী সরকার’র নেতৃত্বে বন্দর স্মৃতিসৌধৈ পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়। পরবর্তীতে পুলিশ প্রশাসন, বীর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, পেশাজীবী ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বন্দর উপজেলার সরকারি হাজী ইব্রাহীম আলমচান মডেল স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বন্দর উপজেলার বিভিন্ন স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীগণ অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় বন্দর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিবানী সরকার, বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন ও বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষিকাগণ উপস্থিত থেকে ছাত্র-ছাত্রীদের ডিসপ্লে উপভোগ করেন।
মন্তব্য করুন