
বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির নীতিমালা ছাপিয়ে দিয়ে স্কুল কলেজ, মাদরাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থীদর অভিভাবকদের ঠকাচ্ছে। এক অনুসন্ধানে দেখা যায ককসবাজার জেলার কিছু কিছু লাইব্রেরিতে ২০/২৫% ডিসকাউন্ট এ সহায়ক বই বিক্রি করলেও উপজেলা পর্যায়ে ১০% এর বেশি ডিসকাউন্ট দিলেই সংশ্লিষ্ট লাইব্রেরিকে জরিমানা করে সমিতির নীতিমালা বাস্তবায়ন কমিটি। এতে করে মারাত্মকভাবে ঠকানো হচ্ছে সাধারণ ক্রেতাদের। ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বিভাগীয় ও জেলা শহর গিলোতে ক্ষেত্র বিশেষে ২০/৩০% ডিসকাউন্টে সহায়ক বই বিক্রি হলেও বরাবরের মতো সাধারণ ক্রেতাদের পকেট কাটছে উপজেলা পর্যায়ের লাইব্রেরি গুলো। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন উপজেলা পর্যায়ের লাইব্রেরি মালিক জানান, ইচ্ছে থাকলেও তারা ১০% এর বেশি কমিমনে বই বেচতে পারেন না।তাই অনেকেই জেলা সদরে গিয়ে বেশি ডিসকাউন্ট ( কমিশনে) বই কিনেন, এতে করে উপজেলা পর্যায়ের লাইব্রেরি গুলোকে পড়তে হয় বিতর্কে ও ব্যবসাযিক ক্ষতির মুখে।এই প্রতিবেদকের হাতে আসা ককসবাজার শহরের কয়েকটা বড় লাইব্রেরি ২০% কমিশন দেয়া এবং উপজেলা পর্যায়ের লাইব্রেরি ১০% ের বেশি দেয়ায় ৫ হাজার টাকা জরিমানা করে নীতিমালা বাস্তবায়ন কমিটি। এই সব অভিযোগ বিষয়ে জানতে নীতিমালা বাস্তবায়ন কমিটির বাকি বিল্লাহর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমরা সমিতির নিদ্দেশনা বাস্তবায়ন করি মাত্র। আপনার অভিযোগ থাকলে আপনি জেলা সভাপতি হোসাইনুজজামানের সাথে কথা বললে তিনি অনেক যৌক্তিক করাণ দেখানোর চেষ্টা করেন এই প্রতিবেদককে।কিন্তু বাস্তবতার সাথে মিল নেই তার যৌক্তিক কারণ এগুলো।পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির বৈষম্য মুলক আচরণে সাধারণ ক্রেতারা যেমন প্রতারিত হচ্ছে তেমনি উপজেলা পর্যায়ের লাইব্রেরি দোকানদারও হচ্ছে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন। অনেক অভিভাবক ও ছাত্ররা বলেন
এইভাবে যদি আমরা ছাত্রসমাজ ও অভিভাবক মহল ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকি,নীতিমালার নামে জরিমানা চাঁদাবাজি করা হয় তাহলে আমরা মানববন্ধন, রোড অবরোধ সহ বইয়ের দাম কম রাখলে যারা জরিমানার নামে চাঁদাবাজী করতেছে তাদের নামে মামলা করবো।উল্লেখ্য যে বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতির উদ্দেশ্যে ভাসনে সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার কথা বলেছেন। আমাদের শিক্ষা মন্ত্রী জনাব এহসানুল হক মিলন ও শিক্ষা ব্যবস্থায় সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। ভাঙবো এবার বই ব্যবসার সিন্ডিকেট। ,বাঁচাবো শিক্ষা, ছাত্র সমাজ,অভিভাবক ও দেশ,সবার আগে বাংলাদেশ।নীতিমালার নামে শোষন বন্ধের দাবী উঠেছে সচেতন মহলের পক্ষ থেকে।
মন্তব্য করুন