
ফাসিয়াখালী ইউনিয়নের পাগলির আগায় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও ভক্তিমূলক পরিবেশে এক বিশেষ অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়। গত ১৮, ১৯ ও ২০ মে তিন দিনব্যাপী শ্রী জগন্নাথ ঋষি আশ্রম-এ আয়োজিত উক্ত অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক ভক্তবৃন্দ, সনাতন ধর্মাবলম্বী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।
শ্রীমত স্বামী জগন্নাথ পুরি গুরু মহারাজ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত স্মৃতিতীর্থ পরম পুণ্যভূমি শ্রী জগন্নাথ ঋষি আশ্রমে দিবসটি উপলক্ষে গুরুপূজা, ভক্তিমূলক সংগীতানুষ্ঠান, ধর্মীয় আলোচনা সভা এবং অষ্টপ্রহরব্যাপী তারকব্রহ্ম মহানাম যজ্ঞ অনুষ্ঠিত হয়। দিবসব্যাপী নানা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়া ভক্তবৃন্দ গভীর শ্রদ্ধা ও ভক্তিভরে গুরু মহারাজের স্মৃতিচারণ করেন।
অনুষ্ঠানের সূচনায় গুরু মহারাজের প্রতিকৃতিতে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ এবং বিশেষ পূজার আয়োজন করা হয়। পরবর্তীতে ভক্তিমূলক সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে আশ্রম প্রাঙ্গণ আধ্যাত্মিক আবহে মুখরিত হইয়া উঠে। ধর্মীয় আলোচনা সভায় বক্তাগণ পরম প্রেমময় যুগাবতার শ্রীশ্রী শ্রীমত স্বামী অদ্বৈতানন্দ পুরি গুরু মহারাজের জীবনাদর্শ, মানবপ্রেম, ধর্মীয় শিক্ষা ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের বিভিন্ন দিক আলোকপাত করেন।
বক্তাগণ বলেন, গুরু মহারাজের আদর্শ মানবজীবনকে সত্য, প্রেম ও ন্যায়ের পথে পরিচালিত করে। তাঁহার শিক্ষা সমাজে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও আত্মশুদ্ধির বাণী প্রচারে বিশেষ ভূমিকা রাখিয়া আসিতেছে। অষ্টপ্রহরব্যাপী তারকব্রহ্ম মহানাম যজ্ঞে অংশগ্রহণকারী ভক্তবৃন্দ একযোগে নামসংকীর্তনে মগ্ন থাকেন, যাহা সমগ্র আশ্রম এলাকাকে এক অনন্য ধর্মীয় আবহে পরিণত করে।
অনুষ্ঠান শেষে আগত ভক্ত ও অতিথিদের মধ্যে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। আয়োজকবৃন্দ জানান, প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও গুরু মহারাজের শুভ আবির্ভাব দিবস যথাযোগ্য মর্যাদা, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপিত হইয়াছে। উক্ত আয়োজন স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগাইয়াছে এবং ধর্মীয় সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন
মন্তব্য করুন