
টেকনাফে ২ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জওয়ানদের অভিযানে ২ টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ১০ হাজার পিস ইয়াবা সহ ১ ব্যক্তি কে আটক করেছেন।
২৭ জুলাই রবিবার
গোপন সূত্রে জানা যায়, টেকনাফ ব্যাটালিয়নের নিজস্ব গোয়েন্দারা ও কয়েকটি বিশেষ অভিযানিক দল অপরাধীদের ধরতে মাঠে নামে। এক পর্যায়ে জানা যায় যে, অপরাধী চক্র ও স্থানীয় বিক্রেতা জনৈক নূরের মাদক লেনদেনের অংশ হিসেবে একটি অটোরিক্সা যোগে গোপনে অবৈধ অস্ত্রসহ মাদকের একটি চালান খানকার পাড়ার একটি বাড়িতে হস্তান্তরের জন্য পরিবহন করা হচ্ছে। মাদক পরিবহনকালে কারবারীদের হাতে-নাতে আটক করতে অধিনায়কের নেতৃত্বে ২ বিজিবি’র টহলদলগুলো শহরের বিভিন্ন স্থানে একযোগে অভিযানে নামে। অপরাধীদের অনুসরণ করতে করতে বিজিবি’র দলগুলো এক পর্যায়ে টেকনাফ পৌরসভাস্থ খানকার পাড়া এলাকাটি ঘিরে ফেলে। এসময়, স্থানীয়দের সহযোগীতায় আনুমানিক ১৩০০ ঘটিকায় নিজ বসতবাড়ি থেকে পলায়নরত সৈয়দ নূরকে আটক করা হয়।
ঘটনাস্থালে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, মাদক সরবরাহকারী মোঃ হারুন রশিদ বিজিবি অভিযানদল ঘটনাস্থলে আগমনের সময় মাদকের একটি প্যাকেট নূরের নিকট হস্তান্তর করে অপর একটি মাদক ভর্তি প্যাকেট সহ দ্রুত অন্যত্র চলে গিয়েছে। পরে স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ ও অন্যান্য সকলের উপস্থিতিতে দীর্ঘ তল্লাশী শেষে বাসার পিছনের ঘরের ছাদে বাঁশের চাটাইয়ের উপরে লুকায়িত স্থান থেকে ১০,০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ২টি মারনাস্ত্র (০১টি ওয়ান শুটার ও ০১টি এলজি) ০১ রাউন্ড তাঁজা গুলি ও গুলির ১টি খালী খোসা উদ্ধার করা হয়।
এসময় টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ৯ নংওয়ার্ড খানকার ডেইল এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে সৈয়দ নুর (৫০) আটক করে।এবংতার ছোট ভাই মোঃ হারুন রশিদ (৩২)কে পলাতক আসামী করে টেকনাফ মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
অপরাধী চক্রের অন্যান্যদের ধরতে বিজিবি’র অভিযান চলছে এবং গ্রেফতারকৃত আসামিকে উদ্ধারকৃত মাদক, অস্ত্র ও গুলিসহ প্রচলিত আইন অনুযায়ী টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর এবং মামলা রুজু করবার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে
জানিয়েছেন টেকনাফ ২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল আশিকুর রহমান পি এস সি।####
মন্তব্য করুন