
শামসুল আলম শারেক, টেকনাফ ( কক্সবাজার)।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে মাদক ও মানব পাচার, অপহরণ এবং মুক্তিপণ বাণিজ্য বন্ধে সবসময় সক্রিয় ও দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
গত ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে, টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এর বিশেষ অভিযান দল টেকনাফের রাজারছড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ০১ জন হত্যা মামলার আসামীসহ সমুদ্র পথে মানব পাচারের সময় ১৭ জন ভুক্তভোগীকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেছে।
গত ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ আনুমানিক রাত দেড় টার দিকে একটি সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে। অধিনায়ক এর পরিকল্পনা মাফিক, ২ বিজিবি’র কয়েকটি চৌকশ দল ইউনিট সদর হতে প্রায় ০৮ কিঃ মিঃ উত্তর-পূর্ব দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ এর রাজারছড়া কেন্দ্রিয় জামে মসজিদের পাশ্ববর্তী এলাকার ঝোপঝারে কৌশলগত অবস্থান নেয়। এসময় সাগর পথে মালায়েশিয়া গমনের উদ্দেশ্যে ভূক্তভোগীদের নৌকায় তুলে পাচারের প্রাক্কালে ট্রলারটিতে তল্লাশী চালিয়ে মোট ১৮ জন ভুক্তভোগীকে (পুরুষ-০৭, মাহিলা-০৪ ও শিশু-০৭) অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। মোঃতারেক (২০) নামের ১ জন হত্যা মামলার পলাতক আসামী কে সনাক্ত করে
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ভুক্তভোগীরা জানায়,বিভিন্ন প্রলোভনে অপরাধীদের কয়েকজন দোসর তাদেরকে বিভিন্ন দেশে পাচার করছে।
টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক, লেঃ কর্নেল আশিকুর রহমান, পিএসসি বলেন, এই বিশেষ ও সফল অভিযানটি মাদক ও মানব পাচারের বিরুদ্ধে বিজিবি’র জিরো টলারেন্স নীতিরই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। মানব পাচার বিরোধী সফল অভিযানগুলোই বিজিবির দৃঢ় অবস্থানের স্পষ্ট বার্তা, যে সকল অপরাধীদের জন্য টেকনাফ সীমান্তের পাহাড় থেকে সমুদ্রের জলসীমা পর্যন্ত এক ইঞ্চি জায়গাও নিরাপদ নয়। মানবতা বিরোধী এ ধরনের জঘন্য অপরাধ দমনে আমাদের এই ধারাবাহিক ও কঠোর নজরদারি এবং সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।” বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, জননিরাপত্তা এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সর্বদা বদ্ধপরিকর।
উদ্ধারকৃত ভুক্তভোগীদেরকে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হবে। ###
মন্তব্য করুন