
নাইক্ষংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের বাইশপাড়িতে সড়কের অনিয়ম ও দুর্নীতি জেন থামছেই না। সীমান্ত সড়ক থেকে রেজু আমতলি পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদার আবুবক্করের বিরুদ্ধ। এসব অভিযোগ জানা সত্বেও নাইক্ষংছড়ি উপজেলা প্রকৌশলী নজরুল ইসলামের নিরবতায় জনমনে নানান প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে।
এদিকে সড়কের নানান অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে টনক নড়ে উপজেলা প্রকৌশলী নজরুল ইসলামের গতকাল ১২ এপ্রিল উপজেলা প্রকৌশলীর নেতৃত্ব এক প্রতিনিধি টিম সরেজমিনে পরিদর্শন করে গেলেও ঠিকাদার বক্করের অনিয়ম ও দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে না পারায় জনমনে নানান প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে।
সোমবার ( ১৩ এপ্রিল) সরেজমিন সড়কে গেলে স্থানীয়দের দাবী সড়কে বালির পরিবর্তনে পাহাড়ি মাঠি দিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে ঠিকাদার বক্কর। নির্ধারিত মান বজায় না রেখে নিম্নমানের খোয়া ও বালির পরিবর্তে পাহাড়ি মাটি ব্যবহার করা হচ্ছে ঐক্ত সড়কে।
জানা গেছে,এলজিডির অর্থায়নে ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যয়ে পরিচালিত এই সংস্কার কাজে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করছে না। সড়ক নির্মাণের জন্য যেখানে মানসম্মত উপকরণ ব্যবহারের কথা, সেখানে নিম্নমানের খোয়া দিয়ে কাজ চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, সড়কের বিভিন্ন স্থানে বালির পরিবর্তে সরাসরি পাহাড়ি মাটি ব্যবহার করা হচ্ছে, যা বর্ষা মৌসুমে দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে সরকারের বিপুল অর্থ ব্যয়ের পরও টেকসই সড়ক নির্মাণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এলাকাবাসী আরও জানান, কাজের তদারকির অভাব এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি না থাকায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অনিয়মের সুযোগ নিচ্ছে। তারা দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে স্থানীয়রা বলেন, সড়কটি সীমান্ত এলাকার গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম হওয়ায় মানসম্মতভাবে সংস্কার কাজ সম্পন্ন করা অত্যন্ত জরুরি। অন্যথায় জনগণের ভোগান্তি আরও বাড়বে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং কাজের মান নিশ্চিত করা হোক।
ঠিকাদার আবুবক্করের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করে ফোন কেটে দেন।
এ বিষয়ে নাইক্ষংছড়ি উপজেলা প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে আমি বিষশটি গুরুত্ব সহকারে দেখে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছি নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী সরিয়ে ফেলতে নির্দেশনা দিয়েছি।
মন্তব্য করুন