
বীর বাদশা মিয়া চৌধুরী শুধু একজন রাজনীতিকই নন, ছিলেন সমাজ পরিবর্তনের এক অনন্য রূপকার। হলদিয়াপালং ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি নিয়মতান্ত্রিকভাবে একটি সুসংগঠিত প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলেন। তার হাত ধরে স্থানীয় শাসনব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ও গণমানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়।
তিনি বিশ্বাস করতেন— উন্নত সমাজ গড়তে হলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও মানবিক সেবাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। সেই চিন্তাধারার প্রতিফলন ঘটিয়ে তিনি এলাকায় একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন, যা আজও অসংখ্য মানুষের চিকিৎসা সেবার ভরসাস্থল হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্থানীয় মানুষজন জানান, বাদশা মিয়া চৌধুরী উদ্যোগেই গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়। তার নেতৃত্বে ইউনিয়নে নানা জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়, যা আজও মানুষ শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তিনি যেমন মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য জীবন বাজি রেখেছিলেন, তেমনি স্বাধীনতার পর নতুন প্রজন্মকে আলোকিত সমাজ উপহার দিতে কাজ করেছেন সর্বদা। তার প্রতিটি পদক্ষেপই ছিল দেশ ও মানুষের কল্যাণে নিবেদিত।
স্থানীয়রা মনে করেন, বাদশা মিয়া চৌধুরী গড়া হাসপাতাল ও ইউনিয়ন প্রশাসনের সুসংগঠিত ভিত্তি শুধু উখিয়া নয়, পুরো কক্সবাজার জেলায় এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
মন্তব্য করুন