
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে একটি জমির মালিকানা সংক্রান্ত চলমান আদালতের পিটিশন মোকদ্দমার তদন্ত কাজকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে ফেসবুকের মাধ্যমে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচারের অভিযোগ উঠেছে। একটি বেনামী আইডি থেকে ভিডিও প্রচার করে স্থানীয় কলাগাছিয়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বার মোঃ মকবুল হোসেনের সম্মানহানির অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী দাবি করেছেন।
সূত্রমতে, সেলসারদী মৌজার এসএ-১১৭ ও আরএস-১৮২ দাগের ১৭.৬০ শতাংশ ভূমি নিয়ে ওয়ারিশ মোঃ শাহজাহান বাদী হয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি পিটিশন মোকদ্দমা (নং-৬৮৯/২০২৫) দায়ের করেন। মামলায় বিবাদী করা হয়েছে বুরুন্দী এলাকার জাকির হাজীসহ ৫ জনকে। আদালত উক্ত ভূমির সরেজমিন তদন্তের ভার দেন বন্দর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাহিমা আক্তার ইতিকে।
পূর্ব নির্ধারিত নোটিশ অনুযায়ী মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ঘটনাস্থলে তদন্তে আসেন। স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও ব্যবসায়ীদের ভাষ্যমতে, বিরোধপূর্ণ ভূমিটি বাদীর দখলেই ছিল এবং সেখানে গাছপালা ও পুকুরে মাছ চাষ হতো, যা বিবাদীরা ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন। তদন্ত কর্মকর্তা উভয় পক্ষকে তাদের স্বপক্ষের নথিপত্র আগামী বুধবার কানুনগোর নিকট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
অভিযোগ উঠেছে, আদালতের এই তদন্ত প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে ও আসন্ন নির্বাচনের আগে মকবুল মেম্বারের ইমেজ ক্ষুণ্ণ করতে বিবাদী জাকির হাজী ফেসবুকের ‘Anonymous participant’ নামক গ্রুপ থেকে একটি বিভ্রান্তিকর ভিডিও সাক্ষাৎকার প্রচার করেন। ওই ভিডিওতে বর্তমান মেম্বারকে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে জড়িয়ে অসত্য তথ্য ছড়ানো হয়েছে।
এ বিষয়ে ৫নং ওয়ার্ডের মেম্বার মোঃ মকবুল হোসেন বলেন, “একটি চলমান আইনি প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে এবং সমাজে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে জাকির হাজী পরিকল্পিতভাবে এই অপপ্রচার চালাচ্ছেন। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করব।” এলাকাবাসীর দাবি, জাকির হাজী ও তার সহযোগীরা এলাকায় বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত।আদালতের চলমান তদন্ত চলাকালীন এ ধরনের বিভ্রান্তিকর ভিডিও প্রচার জনমনে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।
মন্তব্য করুন