
ঠাকুরগাঁও জেলার রুহিয়া থানার যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক নূরে আলম সিদ্দিকীর উপর আওয়ামী লীগের এক নেতার নেতৃত্বে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এসময় তাকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করা হয়।
সোমবার (৩১ মার্চ ) রাজাগাঁও ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের হাজীপাড়ায় নূরে আলম সিদ্দিকীর বাসার সামনে এ ঘটনাটি ঘটে।
অভিযুক্ত সোহেল রানা রাজাগাঁও ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামী কৃষকলীগের সভাপতি ।
প্রত্যক্ষদর্শী ও আহত সূত্রে জানা যায়, নূরে আলম সিদ্দিক দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে তার চাচাদের সাথে দ্বন্দ্ব চলছিল। তবে গত (৩০ মার্চ ) ফজরের নামাজ আদায় করে নুর আলম সিদ্দিকীর ছোট দুই ভাই মনিরুজ্জামান মন্টু ও মঞ্জুরুল ইসলাম মসজিদ হইতে নিজ বাড়ী ফেরার পথে সোহেল ও তার দলবল হাতে বাঁশের লাঠি শোঠা ধারালো ছোরা নিয়ে তাদের পথ রোধ করিয়া জমি জমার বিষয়কে কেন্দ্র করিয়া অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করিতে থাকে। এবং এলোপাথারী মারপিট করে।
এর পর এলাকার লোকজন ঘটনাস্থলে আসিয়া আমাদেরকে রক্ষা করে। আমাদের চিকিৎসার জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করাই।
তারই সূত্র ধরে ৩১ মার্চ বিকেলে পরিকল্পিতভাবে নূরে আলম সিদ্দিকীর বাসার সামনে আবার হামলা করে ১/সোহেল রানা ২/ রফিকুল ইসলাম, ৩/জিয়াউর, ৪/রুবেল, ৫/শাহাদত মেম্বার, ৬/আল আমিন, সহ আরো অনেকে ।
এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন আমিনুুল ইসলাম আমিন চেয়ারম্যান,আমিনুর রহমান রিপন হাজী। ও রুহিয়া থানা বিএনপির সভাপতি আব্দুল জব্বার, সহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু কেউ এর প্রতিবাদ জানায়নি ।
তবে রুহিয়া থানা বিএনপির সভাপতির কাছে জানতে চাইলে উনি বলেন রিপন হাজী আমাকে ফোন করেছিলেন ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করার জন্য অনেক মানুষ অপেক্ষা করতেছে। তাই আমি সেখানে গেছি আমি যাওয়া কিছুক্ষণের মধ্যে মারপিট শুরু করে দেয়
আমি নিজও থামানোর চেষ্টা করে ব্যার্থ হই। তবে ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে রুহিয়া থানার ওসি এ কে এম নাজমুল কাদের জানান, অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।