
চট্টগ্রাম বাঁশখালী পৌরসভা ০২ নং ওয়ার্ড আমির মিয়ার সাথে, ঢাকা যমুনা কর্পোরেশন এর ডিরেক্টর, বি এম মনিরুজ্জামান সাগর ঠিকানা ৫৫/বি নোয়াখালী টাওয়ার লেভেল ১৩ পুরানা পল্টন ঢাকা,১০০০ এর সাথে, চট্টগ্রামের ডিপু নিয়ে, মনিরুজ্জামান সাগর এর সাথে একটা চুক্তি হয়। চুক্তির তারিখ ২২,০৯, ২০২০ ইংরেজি। চুক্তিতে কথা হয় যে, আমির মিয়া মনিরুজ্জামান সাগর কে ক্যাশ ১৫ লক্ষ টাকা দিবে। মনিরুজ্জামান সাগর, সেই অনুপাতে আমির মিয়া বরাবর ২০ লক্ষ টাকার মালামাল দিবে। কিন্তু আমির মিয়া সরাসরি তাঁর অফিসে প্রথমে চুক্তি সহ অগ্রিম টাকা দিয়ে আসে। পর্যায়ক্রমে আমির মিয়া ইসলামি ব্যাংক এর মাধ্যমে, যমুনা কর্পোরেশন ২০৫০৩৯৬০১০০০২২০০৯, ৭০১৭০১৭৩৫১৯১০
এগুলোর মাধ্যমে ১৫ লক্ষ টাকা লেনদেন করে।
মনিরুজ্জামান ১৫ লক্ষ টাকা বুঝিয়ে পাওয়ার পর, আমির মিয়া বরাবর ০১ লক্ষ টাকার মালামাল পাঠায়। এর পর আর কোন মালামাল পাঠায়নি। আমির মিয়া মালামাল পাঠাচ্ছেনা কেন প্রতিনিয়ত যোগাযোগ করলে।কিছু দিন পর মনিরুজ্জামান সাগর বলেন, তাঁর কোম্পানিতে সমস্যা হয়েছে। মাল আর দিতে পারবে না। তখন আমির মিয়াকে ০১ লক্ষ টাকার মালামাল ফেরত দিয়ে দিলে। মনিরুজ্জামান আমির মিয়ার পাওয়া ১৫ লক্ষ টাকা আমির মিয়া বরাবর বুঝিয়ে দিবে। আমির মিয়া সরল বিশ্বাসে ১ লক্ষ টাকার মালামাল মনিরুজ্জামান বরাবর ফেরত দিলে। এর পর থেকে মনিরুজ্জামান আমির সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দে। পরবর্তীতে আমির মিয়া তৎকালীন ঢাকা নারায়ণগঞ্জ র্যাব এর এডিশনাল এ এস পিকে নিয়ে অনেক তদবির করলেও প্রতারক মনিরুজ্জামান সাগর এর কোন খদিস পায়নি। পরিশেষে আরো জানা যায়, মনিরুজ্জামান বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা থেকে এরকম মানুষের সাথে প্রতারণা করেছে।
আজ অবদি ০৫ বছর চলমান থাকলেও, মনিরুজ্জামান সাগর আমির পাওনা ১৫ টাকা দেনি। আমির মিয়া যোগাযোগ করতে চাইলেও মনিরুজ্জামান সাগর যোগাযোগ করেনি।
প্রতারক মনিরুজ্জামান সাগর এর মোবাইল নাম্বার ০১৭৬১৮৯৯৪৫৮
বর্তমানে আমির মিয়া তার পাওনা টাকার জন্যে অনেকের কাছে সহযোগিতা চাইলেও, প্রতারক মনিরুজ্জামান সাগর এর খোঁজ পাওয়া যায় নি।
বিশ্বস্ত সুত্রে আমির মিয়া জানতে পারে, বর্তমানে প্রতারক মনিরুজ্জামান সাগর ঢাকাতেই অবস্থান করতেছে।