
চট্টগ্রামের পটিয়া পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড আলম শাহ্ সড়ক হাজী আবদুস সাত্তার জামে মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় মাদ্রাসা ও এতিমখানার জায়গা জবরদখল করার পায়তারা চালাচ্ছে মর্মে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আবু ফরিদ নামে একজন আহত ও এতিমখানার বাউন্ডারি ওয়াল ভাংচুর হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ২০ এপ্রিল রবিবার বিকাল সাড়ে তিনটায়।
এ ঘটনায় আবু ফরিদ এর ভাই হাজী আবদু ছত্তার জামে মসজিদ পরিচালনা মতোওয়াল্লী হাজী আবুল কালাম বাদী হয়ে রমজান আলী, মোরশেদ আলম, ফারজানা আকতার, রাজিব, নারগিস আক্তার সহ অজ্ঞাতনামা ১০/১৫ জনকে বিবাহিত করে পটিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ে করেছে।
অভিযোগ পাওয়ার পর পটিয়া থানার সেকেন্ড অফিসার ২১ এপ্রিল সোমবার বিকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
অভিযোগ সুএে জানায় যায়, দীর্ঘদিন যাবত আবুছ ছক্তার জামে মসজিদে সংলগ্ন এতিমখানা ও হেফজখানার পাশে কিছু জায়গা ১ ও ৩ নং বিবাদীর বিরোধ চলে আসছিল। এর ধারাবাহিকতায় জামে মসজিদের এতিমখানা ও
হেফজখানার জায়গা গ্রাস করার কু-উদ্দেশ্যে বিবাদীগণ দীর্ঘদিন যাবত এতিমখানার পাশে বিবাদীগণের জায়গা রয়েছে মর্মে অজুহাত তুলেন। এনিয়ে বিগত সময়ে এলাকায় একাধিকবার শালিশ বৈঠক হলেও কোন সুরাহা হয়নি। পর্বতীতে একাধিক মামলা আদালতে চলমান রয়েছে। এছাড়াও উক্ত এতিমখানার জায়গা জবরদখল করা নিয়ে আওয়ামী সরকার আমলে দলীয় ক্যাডার বেশ কয়েকবার এতিমখানার সীমানা প্রাচীর ভাংচুর করেন বলে সাক্তার ফাউন্ডেশন চেয়ারম্যান হাজী আবুল বশর জানান।
বাদী হাজী আবুল কালাম অভিযোগে উল্লেখ করেন, তাদের নির্মাণাধীন হাজী আবদুছ ছত্তার জামে মসজিদ, এতিমখানা ও হেফজখানার জায়গায় অনধিকার প্রবেশ করে বিবাদীগন ২০ এপ্রিল বেআইনী জনতা গঠন করে হাতে দা, কিরিচ, লোহার রড, বড় হাতুড়ী দিয়ে এতিমখানার বাউন্ডারী ওয়ালভাংচুর করে। এসময় আবু ফরিদ ঘটনাস্থলে গিয়া বিবাদীগণকে বাউন্ডারী ওয়াল ভাংচুরে বাঁধা দিলে তাকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে রক্তাক্ত নীলা ফুলা জখম করে। বাউন্ডারি ওয়াল ভাংচুর সহ দুই লক্ষ টাকা ক্ষতিসাধন ছাড়াও চাঁদা দাবি অভিযোগ তুলেন বিবাদীগনের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী হাজী আবুল কালাম।
বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানান বাদী হাজী আবুল কালাম।
সেলিম চৌধুরী
পটিয়া চট্টগ্রাম
০১৮২৯৩৪৯৪৪২
২১/০৪/২৫