
নাইক্ষ্যংছড়ি থানাধীন বাইশারী ইউপির ০৭নং ওয়ার্ডস্থ বাইশারী বাজারের শাহ নুরুদ্দীন দাখিল মাদ্রাসার সামনে পাকা রাস্তার উপর কক্সবাজার জেলার রামু থানাধীন ঈদগড় ইউপির ০৯নং ওয়ার্ডস্থ ব্যাঙ ডেবা জঙ্গলের ভিতরে রাসেল বড়ুয়া বচক্কা, বয়স: ২৫, পিতার নাম: সুজন বড়ুয়া, মাতার নাম: দিপালী বড়ুয়া, ঠিকানা: স্থায়ী: (সাং-উত্তর বাইশারী, নতুন পরিষদের পাশে, ০৭নং ওয়ার্ড, ০২নং বাইশারী ইউপি) , থানা- নাইক্ষ্যংছড়ি, জেলা -বান্দরবান।
মামলার ভিকটিম একজন ১১ বছর বয়সী শিশু এবং বাইশারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী। ১২/১০/২০২৫খ্রিঃ তারিখ সকাল অনুমান ১০:০০ ঘটিকার সময় ভিকটিম এবং তার ফুফাতো ভাই রিয়াদ উদ্দিন (০৭) মিলে তার দাদীর জন্য আকিজ বিড়ি আনতে বাইশারী বাজার যায়। তারা বাজার থেকে বিড়ি কিনে শাহ নুরুদ্দীন দাখিল মাদ্রাসার সামনে পৌছাইলে আসামী রাসেল বড়ুয়া প্রকাশ বচক্কা (২৫) (যিনি একজন ডাম্পার ট্রাক চালক) তাদেরকে দেখতে পেয়ে কোথায় যাবে জিজ্ঞাসা করে। ভিকটিম বৈদ্যপাড়া রাস্তার মাথায় যাবে বললে বর্ণিত আসামী তাদেরকে তার গাড়িতে করে সামনে নামিয়ে দিবে বলে গাড়িতে উঠার জন্য প্রলুব্ধ করে। ভিকটিম এবং তার ফুফাতো ভাই আসামীর কথায় সরল বিশ্বাসে তার চালিত ডাম্পার গাড়িতে উঠে। উক্ত স্থান হইতে বর্ণিত আসামী ভিকটিমকে বৈদ্য পাড়া রাস্তার দিকে না নিয়ে তার অসৎ উদেশ্য চরিতার্থ করার জন্য উদ্দেশ্যেমূলকভাবে কক্সবাজার জেলার রামু থানাধীন ঈদগড় ইউপির ০৯নং ওয়ার্ডস্থ ব্যাঙ ডেবা নামক স্থানে নিয়ে যায়। সঙ্গীয় শিশু রিয়াদ উদ্দিন (০৭) কে গাড়ির ভিতরে রেখে আসামী ভিকটিমকে ফুসলাইয়া ব্যাঙ ডেবা জঙ্গলের ভিতরে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ভিকটিমের শোর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হতে দেখলে বর্ণিত আসামী ঘটনাস্থল হইতে দৌড়ে গভীর জঙ্গলে পালিয়ে আত্মগোপনে চলে যায়। উপস্থিত লোকজন ঘটনাস্থল হতে ভিকটিমকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে তার পরিবারকে খবর দেয়। পরিবারের লোকজন হাজির হয়ে উপস্থিত লোকজনদের সহায়তায় চিকিৎসার জন্য ভিকটিমকে প্রথমে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। ভিকটিম বর্তমানে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়
নাইক্ষ্যংছড়ি থানা পুলিশ সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। বান্দরবান পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার জনাব মো: শহিদুল্লাহ কাওছার পিপিএম (বার), এর সার্বিক দিক-নির্দেশনায় নাইক্ষ্যংছড়ি থানার একাধিক আভিযানিক টিম আসামীকে সনাক্ত, গ্রেফতার ও মামলার রহস্য উদঘাটন এর জন্য কার্যক্রম শুরু করে। আভিযানিক টিম কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ঘটনার ০৭ ঘণ্টার মধ্যেই কক্সবাজার জেলা হতে আসামীকে গ্রেফতার করে। উল্লেখিত ঘটনায় আসামীর বিরুদ্ধে নাইক্ষ্যংছড়ি থানার মামলা নং-০৫, তারিখ-১২/১০/২০২৫খ্রি:, ধারা-৭/৯(১) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ রুজু হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।