
জামিনে মুক্তি পেলেন বন্দর উপজেলা পরিষদের সদস্য সাবেক চেয়ারম্যান মাকসুদ হোসেন
অপারেশন ডেভিল হান্ট অভিযানে গ্রেপ্তারকৃত বন্দর উপজেলা পরিষদের সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান ও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর ও বন্দর) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী আলহাজ্ব মোঃ মাকসুদ হোসেনকে জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) রাতে নারায়ণগঞ্জ জেল সুপারের কার্যালয় থেকে জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় সিদ্ধিরগঞ্জের ২টি ও ফতুল্লা থানার ১টি হত্যা ও হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তারকৃত বন্দর উপজেলা পরিষদের সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ মাকসুদ হোসেন হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন।
এর আগে গত ৫ মার্চ রাতে অপারেশন ডেভিল হান্ট অভিযানে মাকসুদ হোসেনকে বন্দরের চাঁপাতলী নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
যুবক মহাসিনের অপারেশনের সকল ব্যয় বহন করলেন নার্গিস মাকসুদ
জনকল্যাণে ও মানবিক সহায়তার লক্ষ্যে বন্দর উপজেলা পরিষদের সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান ও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর ও বন্দর) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী আলহাজ্ব মোঃ মাকসুদ হোসেনের পরিবারের সদস্যরা দিন রাত বন্দরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে চলেছেন।
এদিকে আলহাজ্ব মোঃ মাকসুদ হোসেনের সহধর্মিনী ও বিশিষ্ট সমাজসেবিকা নার্গিস মাকসুদের নিরলস পরিশ্রম ও ঐকান্তিক প্রচেষ্টা এ মানবিক কাজে আরো নতুনত্ব ও ভিন্নমাত্রা সংযোজন করেছে। মানুষের বিপদ আপদে পাশে থেকে এবং একের পর এক আর্থিক সহায়তা দিয়ে তিনি নিজের ও আলহাজ্ব মোঃ মাকসুদ হোসেনের সুনাম ও সম্মানকে আরো উজ্জল করেছেন।
তারই অংশ হিসেবে বন্দরের মদনপুর ইউনিয়নের কাইনালীভিটা গ্রামের মহাসিনের ভেঙ্গে যাওয়া পায়ের হাড়ের জোড়া লাগানো সংক্রান্ত অপারেশনের সকল ব্যয় বহন করেছেন সমাজসেবিকা নার্গিস মাকসুদ।
তাছাড়া তার চিকিৎসার যাবতীয় খোঁজ খবর নিতে ও তাকে দেখতে রবিবার রাতে রাজধানীর ধানমন্ডিতে নর্দান ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়েছেন নার্গিস মাকসুদ। এদিকে নার্গিস মাকসুদের এই মহানুভুবতা দেখে তাকে আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন মহাসিন।
উল্লেখ্য, ঈদুল ফিতরের দিন বিকেলে নিকটস্থ মাঠে ফুটবল খেলতে গিয়ে পায়ের হাড় ভেঙ্গে যায় মহাসিনের। চিকিৎসার বিষয়ে চরম হতাশায় ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে সে। নার্গিস মাকসুদের আর্থিক সহায়তা পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ সহ মাকসুদ চেয়ারম্যানের সমগ্র পরিবারের জন্য দোয়া ও শুভকামনা জানিয়েছেন যুবক মহাসিন, তার পরিবার ও তার বন্ধুমহল।