
কবিরহাট বাজারে নাম উল্লেখিত জৈনদ পুর ১নং ওয়ার্ডের এর কাশেম তিনি একজন কবির হাট পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি তার বিরুদ্ধে কবিরহাট বাজারে একটি দোকানের সামনে মাটি ফেলে দোকান-দখলের চেষ্টা করছেন তার বিরুদ্ধে ৫ আগস্ট বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর থেকে নানা ধরনের অভিযোগ রয়েছে এর সাথে ৯ নং ওয়ার্ডের মাদক ব্যবসায়ীক চান মিয়া রয়েছে এবং ১ নং ওয়ার্ডের নুরুজ্জামানের বিরুদ্ধে থানা ও এলাকায় সালিশ বাণিজ্য এর নানা ধরনের অভিযোগ রয়েছে
তার একটি উপাধি রয়েছে তাকে সবাই জৈনদ পুর এর কাশেম নামে চিনে থাকেন মূলত চাঁদাবাজি দখল বাজি করাই তার কাজ
গত ৪, ৫, মাস আগে কাশের মেয়ের বড় জামাই এর বিরুদ্ধে কবির হাটে রড় চুরির অভিযোগ ও রয়েছে এবং কাশেম এর বিরুদ্ধে কবির হাট পৌর সভার ৯ নং ওয়ার্ডে একটি মেয়ের ৩ লক্ষ টাকা দেনমোহরের টাকা নিয়ে ছিনিমিনিও করেছেন তিনি বিভিন্ন জায়গাতে বিভিন্ন ধরনের চাঁদাবাজি করেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে
এই সমস্ত পাতি নেতাদের কারণে দলের সুনাম নষ্ট হয়েছে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এমন চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক অন্যথায় চাঁদাবাজরা সাধারণ জনগণকে জিম্মি করিয়ে আসবে বর্তমানে কবিরহাটের বিএনপির রাজনীতিতে এরা ভয়ংকর চাঁদাবাজ হয়ে উঠেছে এর সাথে সম্পৃক্ততা আছে এমন চাঁদাবাজদের কে আইনের আওতায় আনা হোক কবির হাট বাজারের ব্যবসায়ীদের একটাই দাবী চাঁদাবাজ দখল বাজ স্ট্যান্ডার বাজদের বিরুদ্ধে জনগণের কঠিন হুঁশিয়ারি চাঁদাবাজদের ঠিকানা এই বাংলায় হবে না আওয়ামী লীগের দোসরদের পলায়নের পর থেকে অটো স্টানে চাঁদাবাজি বাস স্টানে চাঁদাবাজি বাড়ী ঘরে চাঁদাবাজি এই চাঁদাবাজদের শেষ ঠিকানা কোথায় হবে তা জনগণ জানতে চাই