
টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নে অপহরণ, গুম,হত্যা,মাদক কারবার,চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে হ্নীলা ইউনিয়ন কৃষক দলের এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
২৫ এপ্রিল জুমাবার বিকেলে হ্নীলা ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি মোরাদ হোসেন চৌধুরীর নেতৃত্বে এক প্রতিবাদ মিছিল হ্নীলা শাহ মজিদিয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে হ্নীলা বাসস্টেশনের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে নিউ মার্কেট চত্বরে এক পথসভায় মিলিত হয়।
হ্নীলা ইউনিয়ন কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মাদ আলমগীরের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়।
এতে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখে, হ্নীলা ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি দুঃসময়ের ত্যাগী নেতা,আওয়ামী ফ্যাসিবাদ সরকারের দেয়া ৫৪ টি মিথ্যা মামলায় কারা নির্যাতিত ও বর্তমান দলীয় জেলা নেতা নামধারীদের অবহেলা ও অব মূল্যায়নের শিকার, বিএনপির দুঃসময়ের কান্ডারী মরহুম মাস্টার জাকের হোছাইন চৌধুরীর যোগ্য উত্তরসূরী মোরাদ হোসেন চৌধুরী। কৃষক দলনেতা শফিউল আলম চৌধুরী সহ আরো অনেকে।
বক্তারা বলেন বর্তমানে হ্নীলায় অপহরণ, গুম,হত্যা,চাঁদাবাজি, সিন্ডিকেট করে মাদক ও আদম পাচার, সন্ত্রাসী কর্মকান্ড টেকনাফে অন্যন্য এলাকার চাইতে ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে।একশ্রেণির সুবিধাবাদী মানুষ গুলো যারা বিএপির দঃসময়ে ১৬ বছর মাঠে ছিলনা,বিগত ৫ আগষ্টের পর থেকে বিএনপি দলীয় বিভিন্ন পোস্টের পদবীধারী নাম ভেঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় ও এলাকায় চাঁদাবাজি, হত্যা,গুম, সন্ত্রাসী ও মাদক পাচারের মত জগন্য কাজে জড়িত থেকে সুবিধা আদায় করে যাচ্ছে।কিন্তু দুঃ সময়ের নির্যাতিতরা বরাবরই অবহেলার পাত্র হিসেবে দলীয় উর্ধবতন নেতা কর্মীদের অব মূল্যায়নের শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছে তারা।
তাদের বিরুদ্ধে হুশিয়ারী উচ্চারণ করে তারা আরো বলেছেন হত্যা,গুম অপহরণ ও চাঁদাবাজি করে যারা পার পেয়ে যাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে দলীয় ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানিয়েছেন। সম্প্রতি টমটম চালক মাহবুবুর হত্যার আসমীরা ১ নং ওয়ার্ড মরিচ্যাঘোনা ও ৬ নং ওয়ার্ড উলুচামরীতে অবস্থান করছে তাদের কে আইনের আওতায় আনতে হবে। ৩ নং ওয়ার্ড,৪ নং ওয়ার্ড,৫ নংওয়ার্ড,৬, ৭ও ৮ নং ওয়ার্ড সবখানে অস্ত্র কারখানা রয়েছে এসব কারখানায় যৌথবাহিনীর অভিযান পরিচালনা করার দাবী জানান।
এছাড়া ও প্রতিবাদ সভায় আরো অসংখ্য নেতা কর্মী উপস্থিত ছিলেন।